কেবল শান্তির খোঁজে তারা শত শত মাইল সফর করে চলে এসেছেন এই শহরে, কিন্তু তবু কি কলকাতা হয়ে উঠতে পারল এই কাশ্মিরীদের কাছে শান্তিনিকেতন? চন্দ্রশেখর ভট্টাচার্য কথা বললেন সেই শরণার্থীদের সঙ্গে
রাজ্যের অর্থনৈতিক হাল ফেরানোর তাগিদে পযর্টন শিল্পে গুরুত্ব দিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক অভিনব পদক্ষেপ নিতে চলেছেন৷ ভ্রমণপিপাসু বাঙালির কাছে ‘দিপুদা’ অর্ৎ দিঘা-পুরী-দার্জিলিংয়ে পরেই আকর্ষণের কেন্দ্রে বরাবরই থেকেছে নেপাল৷
শতবর্ষ কেন, সার্ধশতবর্ষ পরেও নোবেলজয়ী বিশ্বকবির গান-কবিতা-নাটক-উপন্যাস ইত্যাদি নানা স্বাদের শিল্পকর্ম নিয়ে মানুষের আগ্রহের যেন কোনও শেষ নেই৷
বিংশ শতাব্দীর এক স্বনামধন্য কবি ও সাহিত্য সমালোচক মোহিতলাল মজুমদার৷ ‘মানসী’ পত্রিকায় লেখালিখির মাধ্যমে তাঁর সাহিত্যজীবনের হাতেখড়ি৷ রচনার পরিপাট্য ও পরিচছন্নতা পছন্দ করতেন, চাইতেন ভাষা হবে গাঢ়বদ্ধ এবং কবিতার গঠন হবে সুসম্বদ্ধ৷ কবি হিসেবে ছিলেন দেহাত্মবাদী অর্থাৎ তাঁর কাছে প্রেম কামকে বাদ দিয়ে নয়৷ রবীন্দ্র পরবর্তী কাব্যে মোহিতলালের স্থান অন্যতম৷ ব্যোমকেশ স্রষ্টা শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা তাঁর এই চিঠিতে শরদিন্দুর লেখনীর প্রতি প্রশংসা ঝরে পড়েছে৷



সরকারে আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের প্রতি সৌজন্য দেখানোর কথা বলেছিলেন৷ বিরোধী মতকে গুরুত্ব দিয়ে কয়েকজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দিয়েছেন৷
"'একদম অন্য ধরনের একটি বাংলা পত্রিকা৷ রাজনীতি-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমান গুরুত্ব দিয়ে সুন্দরভাবে উপস্হাপন করা হয় এখানে৷ সম্পূর্ণত একটি বাণিজ্যিক ম্যাগাজিনের মধ্যেও যেভাবে গণ-আন্দোলনের কথা আমরা দ্য সান৲ডে ইন্ডিয়ান থেকে পাই, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য৷ প্রত্যেকেরই উচিত এই ম্যাগাজিন পড়ার অভ্যাস তৈরি করা৷'"
"শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতিকে আমরা প্রশ্রয় দেব না৷ কিন্তু, দলের সঙ্গে কথা না বলে যেখানে সেখানে তুমি কথা বোলো না৷"

